নোয়াখালীতে তরুণীদের আটকে পর্নোগ্রাফি তৈরির অভিযোগে একই পরিবারের ৫ জন গ্রেপ্তার প্রকাশিত: ১০:০০ অপরাহ্ণ, আগস্ট ৭, ২০২৬ নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় একটি আবাসিক ভবনে অভিযান চালিয়ে পর্ন ভিডিও তৈরির অভিযোগে একই পরিবারের চারজনসহ মোট পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার উপজেলার চৌমুহনী পৌরসভার কিসমত করিমপুর এলাকার রাবেয়া হাসপাতালের পাশের একটি আবাসিক ভবনের দ্বিতীয় তলায় এই অভিযান চালানো হয়। অভিযানে বিভিন্ন জেলা থেকে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে আটকে রাখা চার তরুণীকে উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত তরুণীদের আটকে রেখে পর্ন ভিডিও তৈরি, লাইভ সম্প্রচার এবং পতিতাবৃত্তির মতো অনৈতিক কাজে বাধ্য করা হতো। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন কুমিল্লার হোমনা উপজেলার মো. সালাউদ্দিন বিপ্লব, তার স্ত্রী পারভীন আক্তার, তাদের দুই ছেলে ফাহাদ হাসান ও আরাফাত ইয়াসিন ফাহিম এবং সহযোগী আব্দুর রহিম। তারা দীর্ঘদিন ধরে ওই বাসা ভাড়া নিয়ে নোয়াখালীতে অবস্থান করছিলেন। শুক্রবার বিকেলে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। উদ্ধারকৃত তরুণীরা নীলফামারী, লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালীর হাতিয়া জেলার বাসিন্দা। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উদ্ধারকৃত চার তরুণীর মধ্যে একজন গোপনে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল করে বিষয়টি জানালে পুলিশ অভিযানে নামে। ঘটনাস্থল থেকে ভিডিও তৈরির কাজে ব্যবহৃত ক্যামেরা, ছয়টি মোবাইল ফোন, চাবুক, চাকু, কাঁচি এবং নগদ ১ লাখ ৯৮ হাজার টাকা জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী এক তরুণী বাদী হয়ে ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, বিউটি পার্লারে কাজ দেওয়ার কথা বলে তাকে সালাউদ্দিন বিপ্লবের বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তিনি আরও তিন তরুণীকে দেখতে পান। এরপর জোর করে তার মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয় এবং অনৈতিক কাজে বাধ্য করা হয়। প্রতিবাদ করলে তাদের মারধর করা হতো। বেগমগঞ্জ মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. হাবীবুর রহমান গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এবং জানিয়েছেন যে আইনি প্রক্রিয়া শেষে উদ্ধারকৃত তরুণীদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। SHARES অন্যান্য বিষয়: অপরাধগ্রেপ্তারনোয়াখালীপর্নোগ্রাফিপুলিশবেগমগঞ্জ