ইসলামে অতিথি আপ্যায়ন: মহানবীর সুন্নত ও ফজিলতপূর্ণ এক ইবাদত

প্রকাশিত: ১০:০১ পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ২০, ২০২৬

দানশীলতা ও উদারতা ছিল মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর চরিত্রের অন্যতম বিশেষ বৈশিষ্ট্য। নবী করিম (সা.)-এর দানশীলতার পাশাপাশি অতিথির প্রতি সম্মান ও আন্তরিক আতিথেয়তা ছিল অনন্য। সহিহ বুখারি শরিফে বর্ণিত হাদিসে এসেছে, রাসুল (সা.) সব মানুষের চেয়ে বেশি দানশীল ছিলেন।

আরব সমাজে অতিথি আপ্যায়নের প্রচলন ছিল দীর্ঘকাল ধরে। এমনকি ইসলামের আবির্ভাবের আগের জাহিলি যুগেও আরবরা অতিথিকে যথাযথ সম্মান করত। মহানবী (সা.) সেই ইতিবাচক সংস্কৃতিকে ইসলামের আদর্শের সঙ্গে আরও সমৃদ্ধ করেছেন। ইসলামের শিক্ষা অনুযায়ী, অতিথির সেবা ও সম্মান করা কেবল সামাজিক শিষ্টাচার নয়, বরং এটি অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ একটি কাজ এবং মহানবী (সা.)-এর অন্যতম সুন্নত।