আর্কটিক থেকে রকেট উৎক্ষেপণ: মহাকাশ গবেষণায় নতুন অধ্যায় জার্মানির প্রকাশিত: ৪:৩০ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৬, ২০২৬ প্রকাশ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬: ২৫। জার্মান স্টার্টআপ ইসার অ্যারোস্পেস নরওয়ের আর্কটিক অঞ্চলের আন্দোয়া স্পেসপোর্ট থেকে শনিবার তাদের প্রথম রকেট উৎক্ষেপণ করেছে। এই ঐতিহাসিক অভিযানের মাধ্যমে মহাকাশ গবেষণার বাজারে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করার পাশাপাশি ইউরোপীয় মহাকাশ শিল্পের ইতিহাসে নতুন এক অধ্যায় যুক্ত হলো। মনুষ্যবিহীন স্পেকট্রাম রকেটটি ছিল মহাদেশীয় ইউরোপ থেকে কক্ষপথে পৌঁছানো প্রথম বাণিজ্যিক ফ্লাইট। ছোট ও মাঝারি আকারের পেলোড বহনের জন্য বিশেষভাবে তৈরি এই রকেটটি পাঁচটি ছোট স্যাটেলাইট এবং একটি উড্ডয়নকালীন প্রযুক্তিগত পরীক্ষার সরঞ্জাম বহন করছিল। ইসার অ্যারোস্পেস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এই সাফল্যকে ইউরোপের ইতিহাসে নতুন অধ্যায় হিসেবে অভিহিত করেছে। নরওয়ের শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী সিসিলি মাইরসেথ এই উৎক্ষেপণকে মহাকাশ শিল্পের জন্য একটি বড় অগ্রগতি হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি জানান, আন্দোয়া থেকে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের সক্ষমতা বর্তমান অস্থির বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে নরওয়ে ও ইউরোপের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও সুসংহত করবে। এছাড়া ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থা (ইসা) থেকে প্রায় ২০ কোটি ইউরো অর্থায়ন পেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি, যা তাদের রকেট নির্মাণ ও অবকাঠামো সম্প্রসারণে সহায়তা করবে। উল্লেখ্য, এটি ছিল ইসারের দ্বিতীয় রকেট মিশন। এর আগে ২০২৫ সালের মার্চ মাসে প্রথমবার রকেট উৎক্ষেপণের চেষ্টা করা হলেও উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পরেই সেটি সমুদ্রে বিধ্বস্ত হয়েছিল। তবে সেই মিশন থেকেও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হয়েছিল বলে জানায় প্রতিষ্ঠানটি। বর্তমানে ইউরোপের মহাকাশ উৎক্ষেপণ সক্ষমতা বাড়াতে সুইডেনের এসরেঞ্জ এবং যুক্তরাজ্যের স্যাক্সাভর্ড স্পেসপোর্টের মতো কেন্দ্রগুলোও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এছাড়া ইসার অ্যারোস্পেস কানাডায় তাদের দ্বিতীয় একটি উৎক্ষেপণকেন্দ্র নির্মাণ করছে। SHARES আন্তর্জাতিক বিষয়: ইউরোপইসার অ্যারোস্পেসজার্মান রকেটনরওয়েমহাকাশ গবেষণা