বিশ্বসেরা গবেষকের তালিকায় চুয়েটের ৬ শিক্ষক প্রকাশিত: ৬:২৮ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১২, ২০২৬ বিশ্বের গবেষকদের জন্য অত্যন্ত সম্মানজনক ‘বিশ্বসেরা ২ শতাংশ গবেষক’ তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) ছয়জন শিক্ষক। গত বুধবার (৮ অক্টোবর) যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় এবং নেদারল্যান্ডসভিত্তিক প্রকাশনা সংস্থা এলসেভিয়ার যৌথভাবে এই বৈশ্বিক র্যাংকিং প্রকাশ করে। গত বছরের তুলনায় এবার চুয়েট থেকে এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত শিক্ষকের সংখ্যা বেড়েছে, যেখানে গত বছর চারজন শিক্ষক এই কৃতিত্ব অর্জন করেছিলেন। এবারের তালিকায় থাকা শিক্ষকদের মধ্যে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মো. আশরাফ আলীর গবেষণাপত্রের সংখ্যা ৮৮টি, তিনি ফলিত পদার্থবিজ্ঞান উপক্ষেত্রে বিশ্বব্যাপী ১ হাজার ৪১৮তম অবস্থানে রয়েছেন। একই বিভাগের অধ্যাপক মো. মহিউদ্দিন ৮৭টি গবেষণাপত্র নিয়ে ৪ হাজার ৫৪১তম এবং অধ্যাপক মো. মুক্তার হোসাইন ৮১টি গবেষণাপত্র নিয়ে ৫ হাজার ১১৯তম অবস্থানে আছেন। এছাড়া রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ইউনুস আহমেদ ৩৪টি গবেষণাপত্র নিয়ে সাধারণ রসায়ন উপক্ষেত্রে ৪২৬তম অবস্থানে এবং বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সুমিত মজুমদার ২০টি গবেষণাপত্র নিয়ে বিশ্লেষণাত্মক রসায়ন উপক্ষেত্রে ৯৪১তম স্থান অধিকার করেছেন। অন্যদিকে, যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক মোস্তফা কামাল ভূঁইয়া ৪৪টি গবেষণাপত্র নিয়ে নির্ভরযোগ্য শক্তিবিষয়ক উপক্ষেত্রে ৭ হাজার ৩৫০তম অবস্থানে রয়েছেন। গবেষকদের মূল্যায়নের ক্ষেত্রে স্কোপাস ডেটাবেজের তথ্য বিশ্লেষণ করে সি-স্কোর নির্ধারণ করা হয়। এক্ষেত্রে গবেষণাপত্রের সংখ্যা, প্রভাব, সাইটেশন, এইচ-ইনডেক্স, সহলেখকের সংখ্যা এবং একক বা প্রধান লেখক হিসেবে প্রকাশের মতো ছয়টি সূচক বিবেচনা করা হয়। বিজ্ঞানজগতকে ২২টি প্রধান ক্ষেত্র ও ১৭৪টি উপক্ষেত্রে বিভক্ত করে এই র্যাংকিং তৈরি করা হয়। মূলত বিশ্বের শীর্ষ এক লাখ বিজ্ঞানী অথবা নির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক উপক্ষেত্রের সেরা ২ শতাংশ গবেষকদের এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ২০২৬ সালের একক বছরের গবেষণার প্রভাব বিবেচনায় বাংলাদেশের ৮৮টি শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৩৪৭ জন গবেষক এই মর্যাদাপূর্ণ তালিকায় স্থান পেয়েছেন। এ তালিকার গবেষকদের মূল্যায়নে গবেষণাপত্রের সংখ্যার পাশাপাশি গবেষণার প্রভাব ও সাইটেশনকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। স্কোপাস ডেটাবেজে থাকা বিশ্বের কোটি কোটি গবেষকের তথ্য বিশ্লেষণ করে দুটি শর্তের যেকোনো একটি পূরণ করলে গবেষকরা বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় স্থান পান। SHARES ক্যাম্পাস বিষয়: এলসেভিয়ারগবেষকচুয়েটবিশ্বসেরা গবেষকস্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়