রাবিতে তিন শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে আহত করলেন আম্মারসহ শিবির নেতারা

প্রকাশিত: 11:12 PM, July 27, 2026

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার এবং রাকসু ও শাখা ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে তিন শিক্ষার্থীকে দফায় দফায় মারধরের অভিযোগ উঠেছে। রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থীর অভিযোগের ভিত্তিতে প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান অভিযুক্ত শিক্ষার্থী মহসিন আলমের সঙ্গে একটি সভার আয়োজন করেন। উল্লেখ্য, ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের ওই শিক্ষার্থী প্রেমের প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়ায় হুমকির অভিযোগ করেছিলেন। সেই সভায় আনাস, হাসিব ও মাহমুদুল হাসান নামের তিন শিক্ষার্থী উপস্থিত হয়ে অভিযোগ অস্বীকার করেন এবং প্রক্টরের সঙ্গে উচ্চবাচ্য করেন।

সোমবার দুপুরে পুনরায় আয়োজিত সভায় রাকসু নেতারা আনাসের মোবাইল ফোন তল্লাশি করে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুল্লাহ হিল গালিবের সঙ্গে তার ছবি খুঁজে পান। এরপরই রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার ও সালমান সাব্বির তাকে প্রক্টর দপ্তরে মারধর করেন। ওই ঘটনার পর বিকেলের দিকে আনাস, হাসিব ও মাহমুদুল রাকসু ভবনে ঢুকে আম্মারের ওপর হামলা চালান, এতে রাকসুর তথ্য ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক নাজমুস সাকিব আহত হন।

হামলার পর আনাস ও তার সঙ্গীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের পাঠকক্ষে আশ্রয় নিলে শিবির ও রাকসু নেতারা সেখানে প্রবেশ করে তাদের মারধর করেন। ভুক্তভোগী আনাস দাবি করেন, তিনি ছাত্রলীগ কর্মী নন এবং অতীতে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি থাকলেও তাদের ব্যানারে কোনো ছবি নেই। তবে রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার অভিযোগ করেন যে, ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা রাকসু ভবনে ঢুকে হামলা চালিয়েছে।

ঘটনার বিষয়ে শাখা ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান শিবিরের সংশ্লিষ্টতা অস্বীকার করে জানান, তারা রাকসু নেতাদের ওপর হামলার খবর শুনে সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক আব্দুল আলীম এ ঘটনাকে অত্যন্ত নিন্দনীয় বলে অভিহিত করেছেন। তিনি জানান, পুলিশ প্রশাসন ও প্রক্টরিয়াল বডির সঙ্গে সভা করা হয়েছে এবং দ্রুত একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী বিচার করা হবে।

এ ঘটনার জেরে বিকাল ৩টার দিকে আনাস, হাসিব, মাহমুদুলসহ কয়েকজন রাকসু ভবনে ঢুকে আম্মারসহ কয়েকজনের ওপর অতর্কিত হামলা চালান। এতে রাকসুর তথ্য ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক নাজমুস সাকিব আহত হন। হামলা চালানোর পর আনাসসহ সঙ্গীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের পাঠকক্ষে আশ্রয় নেন। পরে শিবির ও রাকসু নেতারা পাঠকক্ষের ফটক থেকে প্রক্টর