অভিষেকের কার্যালয়ে হামলা: দিল্লিতে ধর্নার হুঁশিয়ারি দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রকাশিত: ৭:০১ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৬ প্রকাশ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮: ৫৮। কলকাতার ক্যামাক স্ট্রিটে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কার্যালয়ে হামলার ঘটনায় ভারতীয় জনতা পার্টিকে (বিজেপি) সরাসরি দায়ী করেছেন দলটির নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার বিকেলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন, বিজেপি তাদের লোকজন পাঠিয়ে ওই কার্যালয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট চালিয়েছে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বুধবার সকালে সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করে দাবি করেছিলেন, ভোর সাড়ে ৪টার দিকে কয়েকজন দুষ্কৃতিকারী কার্যালয়ে প্রবেশ করে ভাঙচুর চালায় এবং কর্মীদের মারধর করে। তার অভিযোগ অনুযায়ী, থানায় ফোন করেও কোনো সহায়তা পাওয়া যায়নি এবং তিনি জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই ঘটনাকে ‘মধ্যরাতের বর্বরতা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, কার্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ও দলিল তছনছ করা হয়েছে এবং চারজনকে আটকে রেখে নির্যাতন করা হয়েছে। তৃণমূলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কার্যালয় থেকে এয়ার পিউরিফায়ার, প্রিন্টার ও টেলিভিশনসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক সামগ্রী নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় ইতোমধ্যে পুলিশ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও অভিযোগ করেন, বিজেপির শাসনামলে পুলিশ রক্ষক থেকে ভক্ষকে পরিণত হয়েছে। তবে তিনি দায়িত্ব পালনকারী পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রতি সম্মান জানিয়ে কিছু কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রমাণ নষ্ট ও সাক্ষীদের ওপর হামলার অভিযোগ তোলেন। এছাড়া তিনি বারুইপুরের গণধর্ষণকাণ্ড ও পুলিশের এনকাউন্টারের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ ঘটনাটির সঙ্গে দলের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেছেন। তিনি বিষয়টিকে সাজানো বলে দাবি করে প্রশ্ন তুলেছেন, গভীর রাতে তৃণমূল কর্মীরা কেন কার্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সতর্ক করে বলেছেন, অত্যাচার বন্ধ না হলে তিনি দিল্লিতে গিয়ে বিজেপি নেতাদের বাড়ির সামনে ধর্নায় বসবেন। এছাড়া তিনি হকার উচ্ছেদ ও মধ্যরাতের বিভিন্ন অভিযানের সমালোচনা করেন। সাবেক মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নিরাপত্তা তুলে নেওয়া ও মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর অভিযোগও করেন তিনি। মমতা আরও দাবি করেন, তৃণমূলের চার হাজারের বেশি দলীয় কার্যালয় দখল করা হয়েছে এবং নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে প্রতিদিন এফআইআর দেওয়া হচ্ছে, তবে এসব চাপ দিয়ে তাদের থামানো যাবে না। SHARES আন্তর্জাতিক বিষয়: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কলকাতাতৃণমূল কংগ্রেসদিল্লিবিজেপিমমতা বন্দ্যোপাধ্যায়