চুয়েটের বাইরে থেকে কাউকে উপাচার্য হিসেবে চান না শিক্ষকরা প্রকাশিত: ৯:১৩ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ৮, ২০২৬ চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে উপাচার্য পদে পুনর্বহালের দাবি জোরালো হচ্ছে। এই দাবিতে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ডাকা কর্মবিরতি ইতোমধ্যেই দুই সপ্তাহে গড়িয়েছে। গত ২১ সেপ্টেম্বর ড. সায়েমকে সরিয়ে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে চুয়েটের নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগের পর থেকেই এই অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গত বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকাল ১১টায় তালাবদ্ধ উপাচার্য ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে কর্মবিরতি শুরু করেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। বেলা সাড়ে ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সাধারণ সভা শেষে শিক্ষকরাও তাদের এই কর্মসূচিতে যোগ দেন। এর আগে, গত ২৪ সেপ্টেম্বর রাতে শিক্ষক সমিতি এবং ২৫ সেপ্টেম্বর কর্মকর্তা সমিতি জরুরি সভা ডেকে কর্মবিরতির সিদ্ধান্ত নেয়। পরবর্তীতে গত ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী সমিতি একযোগে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে এই কর্মসূচি পালন করে আসছে। চুয়েট শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আহসান উল্লাহ সাধারণ সভা শেষে জানান, বহিরাগত কাউকে তারা উপাচার্য হিসেবে দেখতে চান না এবং এই দাবিতে সবাই একমত হয়েছেন। আসন্ন দুর্গাপূজার ছুটির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সংকট অব্যাহত থাকলে ছুটি পর্যন্ত এই আন্দোলন চলবে। তবে বর্তমানে অনেকে মধ্যপর্বের ছুটিতে থাকায় একাডেমিক ক্ষতি হচ্ছে না। পরবর্তীতে অতিরিক্ত ক্লাস নিয়ে এই ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। সেখানে আমরা সবাই আমাদের দাবির বিষয়ে একমত হয়েছি। এদিকে চুয়েট কর্মচারী সমিতির সভাপতি জামাল উদ্দিন অধ্যাপক সায়েমকে পুনর্বহালের দাবি জানিয়ে এই সংকটে প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তিনি বলেন, দুর্গাপূজার ছুটি চলে আসলেও এই জটিলতার কারণে চুয়েটের কারও মনে শান্তি নেই। দ্রুত এই সমস্যার সমাধান করতে তারা জোর দাবি জানাচ্ছেন। SHARES ক্যাম্পাস বিষয়: উপাচার্যকর্মবিরতিচট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়চুয়েটশিক্ষক আন্দোলন