ভঙ্গুর রাষ্ট্র পুনর্গঠনে এসডিজি বাস্তবায়নের ওপর জোর প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিত: ৪:৩২ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১০, ২০২৬

দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে ফ্যাসিবাদী শোষণ ও শাসনে দেশ একটি ঋণনির্ভর রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার দুপুরে রাজধানীর শেরে বাংলা নগরের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত কাঠামো নির্ধারণ বিষয়ক জাতীয় সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশকে আমদানি-নির্ভর ভঙ্গুর রাষ্ট্রে পরিণত করা হয়েছিল। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবেশসহ সকল ক্ষেত্রে ভঙ্গুর এই রাষ্ট্রটি এখন পুনর্গঠনের পালা। এই পুনর্গঠনের যাত্রাপথে এসডিজি’র ভূমিকা অনস্বীকার্য বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি জানান, জনগণের সমৃদ্ধি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার ৫ বছর মেয়াদী কৌশলগত অর্থনৈতিক কাঠামো বাস্তবায়নের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এই কাঠামোগত ব্যবস্থা জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনাকে জাতিসংঘের এসডিজি’র সঙ্গে সমন্বয় করেছে। সরকারের গৃহীত ‘সংস্কার ও উন্নয়নের ৫ স্তম্ভে’ দারিদ্র্য বিমোচন, সর্বজনীন সামাজিক সুরক্ষা, মানসম্মত শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা, জেন্ডার সমতা, জলবায়ু সহনশীলতা এবং সুশাসনের মতো এসডিজি’র মূল অগ্রাধিকারগুলো প্রতিফলিত হয়েছে।

এমডিজি বাস্তবায়নের সাফল্যের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, এসডিজি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ ও তা বাস্তবায়ন করে চলছে। এসডিজি’র মূলনীতি ‘কাউকে পেছনে ফেলে নয়’-এর সঙ্গে বর্তমান সরকারের জননীতির মিল রয়েছে এবং ‘সবার জন্য বাংলাদেশ’ নীতিতে সরকার কাজ করছে বলে তিনি জানান।

তারেক রহমান আরও বলেন, বিএনপির জননীতি সবসময়ই জনবান্ধব। স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ১৯-দফা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা খালেদা জিয়ার ‘ভিশন ২০৩০’ এবং বর্তমানে রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফার সঙ্গে এমডিজি কিংবা বর্তমানের এসডিজির ঐতিহাসিকভাবেই খুব বেশি অমিল নেই।