ইসরাইল ছাড়ছেন ২০ বৃটিশ কূটনীতিক, জেরুজালেমে নতুন মিশন প্রকাশিত: ২:০২ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ৮, ২০২৬ ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরে ইহুদি বসতি স্থাপন এবং এর ফলে ফিলিস্তিনিদের ওপর নির্যাতনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বৃটেন ও ইসরাইলের মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। এই বসতি সম্প্রসারণ এবং ইসরাইলি সেনাদের নীরব ভূমিকার প্রতিবাদে বৃটেন পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বসতিগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এর জেরে সৃষ্ট তীব্র উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ২০ জন বৃটিশ কূটনীতিক ইসরাইল ছাড়ছেন। ইসরাইলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিওন সা’আর জানিয়েছেন, দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সমঝোতার ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সমঝোতা অনুযায়ী, পূর্ব জেরুজালেমে অবস্থিত বৃটিশ কনস্যুলেট জেনারেল বৃহস্পতিবার থেকে তার বর্তমান কাঠামোয় আর কার্যক্রম পরিচালনা করবে না। কনসাল জেনারেলসহ মোট ২০ জন কূটনীতিক ইসরাইল ত্যাগ করবেন। তবে ভবনটি বৃটিশ সরকারের মালিকানাধীন হওয়ায় সেখানে সাতজন কূটনীতিক নিয়ে সীমিত পরিসরে কার্যক্রম চালু রাখবে বৃটেন। ইতিমধ্যে ভবন থেকে ‘বৃটিশ কনস্যুলেট জেনারেল’ এবং কনস্যুলার বিভাগের সাইনবোর্ড সরিয়ে ফেলা হয়েছে। ইসরাইলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সা’আর আরও বলেন, ইসরাইলের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হলে তার উপযুক্ত পাল্টা ব্যবস্থা গ্রহণ করার নীতিতে অটল রয়েছে তাদের সরকার। এই সমঝোতার আওতায় বৃটেনে দায়িত্বরত ইসরাইলি কূটনীতিকদের নিজ নিজ পদে বহাল রাখার অনুমতি দেওয়া হবে, যদিও বৃটেন চাইলে ২৭ জন ইসরাইলি কূটনীতিককে বহিষ্কার করতে পারত। বৃটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, জেরুজালেমে প্রায় ২০০ বছর ধরে থাকা কনস্যুলেট জেনারেল বন্ধ করার আইনগত অধিকার ইসরাইল সরকারের রয়েছে, তবে বৃটেন এমনটি মেনে নেবে না। তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন যে, পূর্ব জেরুজালেম একটি দখলকৃত ভূখণ্ড। তিনি আরও জানান, এখন থেকে এই কনস্যুলেটটির নাম হবে ‘ইউকে মিশন, জেরুজালেম’ এবং এটি ফিলিস্তিনি জনগণের সঙ্গে কাজ ও সেবা প্রদান অব্যাহত রাখবে। মিলিব্যান্ড কর্মীদের ইসরাইল থেকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্তকে সাময়িক পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং লন্ডন জেরুজালেমে তাদের কূটনৈতিক উপস্থিতি পুনর্গঠনে কাজ করবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ৮ই সেপ্টেম্বরের দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের সমর্থনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে সমন্বয় করে বৃটেন যে পদক্ষেপ নিয়েছিল, তা থেকে তারা সরে আসবে না। SHARES অন্যান্য বিষয়: ইসরাইলকূটনীতিজেরুজালেমপশ্চিম তীরবৃটেন