গঙ্গা চুক্তি নবায়নে ঢাকার সঙ্গে দ্রুত আলোচনার আহ্বান ভারতের সংসদীয় কমিটির প্রকাশিত: 6:00 PM, July 31, 2026 ১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরিত ভারত-বাংলাদেশ গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ চলতি বছর শেষ হতে যাচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে, বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে আর দেরি না করে আলোচনা শুরু করার জন্য ভারত সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র বিষয়ক সংসদীয় কমিটি। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের তথ্য অনুযায়ী, কংগ্রেস এমপি শশী থারুরের নেতৃত্বাধীন এই সংসদীয় প্যানেল ‘ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক সর্বশেষ প্রতিবেদনে এই তাগিদ দিয়েছে। কমিটির পক্ষ থেকে সুপারিশ করা হয়েছে যে, ২০২৬ সালে চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই দ্বিপক্ষীয় আলোচনা শুরু করা প্রয়োজন। এক্ষেত্রে সাম্প্রতিক হাইড্রোলজিক্যাল তথ্য এবং জলবায়ু পরিবর্তনের পূর্বাভাসকে গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গ ও বিহার রাজ্য সরকারের সঙ্গে পরামর্শ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। মূল চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, শুষ্ক মৌসুমে ফারাক্কা পয়েন্টে গঙ্গার পানি দুই দেশের মধ্যে ভাগাভাগি করার বিষয়টি নির্ধারিত রয়েছে। পানির প্রবাহ কমে গেলে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথও চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত ছিল। বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরেই শুষ্ক মৌসুমে পর্যাপ্ত পানিপ্রবাহ নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়ে আসছে, অন্যদিকে ভারত নতুন বাস্তবতা ও স্থানীয় চাহিদার ভিত্তিতে আলোচনার কথা বলছে। এ বিষয়ে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচনের পর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরও কথা বলেছিলেন। সংসদীয় কমিটি তাদের প্রতিবেদনে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া দ্রুত স্বাভাবিক করারও আহ্বান জানিয়েছে। কমিটির মতে, ১২টি পয়েন্টে বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়াকরণ কমে যাওয়ায় দুই দেশের জনগণের মধ্যে ইতিবাচক ধারণা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এছাড়া ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে বাংলাদেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সুরক্ষার বিষয়টিকে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার হিসেবে ব্যবহারের আহ্বানও জানানো হয়েছে। SHARES আন্তর্জাতিক বিষয়: কূটনীতিগঙ্গা চুক্তিপানি বণ্টনভারত-বাংলাদেশশশী থারুর