স্থানীয় নির্বাচনে অযোগ্য প্রার্থীর তালিকা ও আইন সংশোধনের সুপারিশ ইসির প্রকাশিত: 9:00 AM, July 22, 2026 স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে নতুন কিছু বিধিনিষেধ আরোপের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক কমিশন সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় চার নির্বাচন কমিশনার ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বেলা ১১টা থেকে বিকেল পৌনে ৬টা পর্যন্ত এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে জানান, সিটি করপোরেশন, উপজেলা, ইউনিয়ন, পৌরসভা এবং জেলা পরিষদ—এই পাঁচ স্তরের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কিছু বিষয় স্ট্রিমলাইন করার লক্ষ্যে আইন সংশোধনের প্রস্তাব করা হয়েছে। কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, ঋণখেলাপিদের পাশাপাশি কোনো ঋণের গ্যারান্টার হিসেবে খেলাপি ব্যক্তি, বিদ্যুৎ, গ্যাস, ওয়াসা ও ভূমি করসহ বিভিন্ন সেবার বিলখেলাপিরা নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না। কোনো প্রতিষ্ঠানের প্রধান বা কর্ণধার যদি তার প্রতিষ্ঠানের নামে বকেয়া রাখেন, তবে সেটিও অযোগ্যতার কারণ হিসেবে বিবেচিত হবে। কমিশনের নতুন এই নীতিমালার আওতায় এমপিওভুক্ত শিক্ষক, লাভজনক পদে থাকা ব্যক্তি এবং দ্বৈত নাগরিকরাও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন না। এছাড়া, সব স্থানীয় সরকার আইনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা স্পষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে কমিশন নীতিগতভাবে একমত হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে সচিব জানান, সব আইনের ভেতরেই সশস্ত্র বাহিনীকে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। ইসি সচিব আখতার আহমেদ বলেন, আইন সংশোধনের বিষয়টি একটি আইনগত প্রক্রিয়া। কমিশন গৃহীত প্রস্তাবগুলো স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠানো হবে। স্থানীয় সরকার বিভাগ যদি এই প্রস্তাবগুলো উপযুক্ত মনে করে, তবে তারা আইন সংশোধনের ব্যবস্থা নেবে। পাশাপাশি স্থানীয় সরকার নির্বাচন আচরণ বিধিমালাও সংশোধন করা হবে বলে তিনি জানান। প্রস্তাবগুলো যত দ্রুত সম্ভব পাঠানো হবে। জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য সংগ্রহের বিষয়ে ইসি সচিব বলেন, বর্তমানে ১৬ বছর ও তদুর্ধ্ব বয়সীদের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। ভোটার তালিকাভুক্তির বয়সসীমা কোন পর্যায় পর্যন্ত নামানো যায় এবং ডাটা কালেকশন কোন লেভেল থেকে শুরু করা হবে, তা নিয়ে পর্যালোচনা চলছে। এসএসসি নাকি অষ্টম শ্রেণি—কোন পর্যায় থেকে এই তথ্য সংগ্রহ শুরু হবে, তা তুলনামূলক বিবরণী পর্যালোচনার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। SHARES জাতীয় বিষয়: অযোগ্য প্রার্থীআইন সংশোধনইসিনির্বাচন কমিশনস্থানীয় সরকার নির্বাচন