১২৮ বারের মতো পেছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত: 4:37 PM, July 22, 2026 সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ আবারও পিছিয়েছে। এ নিয়ে রেকর্ড ১২৮ বারের মতো পেছাল বহুল আলোচিত এই মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময়সীমা। আজ বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৭ আগস্ট নতুন দিন নির্ধারণ করেছেন। ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে নিজ বাসায় নৃশংসভাবে খুন হন মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারোয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি। এই হত্যাকাণ্ডের পর নিহত রুনির ভাই নওশের আলম রোমান বাদী হয়ে শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তের দীর্ঘ পথপরিক্রমায় প্রথমে শেরেবাংলা নগর থানার একজন উপপরিদর্শক (এসআই) তদন্তের দায়িত্ব পান। এর চারদিন পর তদন্তভার হস্তান্তর করা হয় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে। তবে দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে তদন্ত চালিয়েও রহস্য উদঘাটনে ব্যর্থ হয় ডিবি। পরবর্তীতে উচ্চ আদালতের নির্দেশে ওই বছরের ১৮ এপ্রিল মামলার তদন্তভার র্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়। দীর্ঘ সময় পার হওয়ার পর গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট এই হত্যা মামলার তদন্তে বিভিন্ন বাহিনীর অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে তদন্ত থেকে র্যাবকে সরিয়ে দেওয়া হয় এবং ছয় মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়। আদালতের সেই নির্দেশনা অনুযায়ী, গত বছরের ১৭ অক্টোবর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে টাস্কফোর্স গঠন করা হয়। পিবিআই প্রধানকে আহ্বায়ক করে গঠিত এই উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স কমিটিতে সদস্য রয়েছেন ৪ জন। বর্তমানে মামলাটির তদন্ত করছেন পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আজিজুল হক। এই মামলায় অভিযুক্ত আসামিদের মধ্যে রয়েছেন রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মাসুম মিন্টু, কামরুল ইসলাম ওরফে অরুন, আবু সাঈদ এবং সাগর-রুনির বাসার দুই নিরাপত্তাকর্মী পলাশ রুদ্র পাল ও এনায়েত আহমেদ। এছাড়া তাদের 'বন্ধু' তানভীর রহমান খানও এই মামলার অন্যতম আসামি। আসামিদের মধ্যে তানভীর বর্তমানে জামিনে রয়েছেন এবং নিরাপত্তাকর্মী পলাশ রুদ্র পাল জামিন পাওয়ার পর থেকে পলাতক রয়েছেন। মামলার বাকি আসামিরা বর্তমানে কারাগারে বন্দী রয়েছেন। SHARES অন্যান্য বিষয়: আদালততদন্ত প্রতিবেদনপিবিআইমেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটসাগর-রুনিহত্যা মামলা